স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি ২০২৪

২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। এই দিবসের রয়েছে নানা ইতিহাস। এই ইতিহাস গুলো একত্রে করে অনেক কবি কবিতার ভাষায় প্রকাশ করেছে। তো যারা স্বাধীনতা দিবসের বা ২৬শে মার্চের অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃতি করবেন, তারা স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে যেকোনো সুন্দর একটি কবিতা পড়ে শুনাবেন। এর আগে আপনাকে ঐ কবিতা ও কবিতার ভাষা বুঝতে হবে। এখানে স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি দেওয়া আছে। এই কবিতা গুলো আবরিত করে শুনাতে পারেন।

স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি

অনেক কবিই স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি লিখেছেন। তবে তাদের মধ্যে কিছু কবিতা জনপ্রিয় হয়েছে। সাধারণত সকলে এই কবিতা গুলো আবৃতি করে। তাই আপনাকে এমন একটি কবিতা আবরিত করতে হবে যা বাকিদের তুলনায় অনেক ভালো ও ২৬ শে মার্চ কে প্রকাশ করে। এই ধরনের কবিতা এই অংশে সংগ্রহ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি গুলো দেখুন।

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো
– নির্মলেন্দু গুণ

একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে
লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে
ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি?’

এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না,
এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না,
এই তন্দ্রাচ্ছন্ন বিবর্ণ বিকেল সেদিন ছিল না৷
তা হলে কেমন ছিল সেদিনের সেই বিকেল বেলাটি?
তা হলে কেমন ছিল শিশু পার্কে, বেঞ্চে, বৃক্ষে, ফুলের বাগানে
ঢেকে দেয়া এই ঢাকার হদৃয় মাঠখানি?

জানি, সেদিনের সব স্মৃতি ,মুছে দিতে হয়েছে উদ্যত
কালো হাত৷ তাই দেখি কবিহীন এই বিমুখ প্রান্তরে আজ
কবির বিরুদ্ধে কবি,
মাঠের বিরুদ্ধে মাঠ,
বিকেলের বিরুদ্ধে বিকেল,
উদ্যানের বিরুদ্ধে উদ্যান,
মার্চের বিরুদ্ধে মার্চ … ৷

হে অনাগত শিশু, হে আগামী দিনের কবি,
শিশু পার্কের রঙিন দোলনায় দোল খেতে খেতে তুমি
একদিন সব জানতে পারবে; আমি তোমাদের কথা ভেবে
লিখে রেখে যাচ্ছি সেই শ্রেষ্ঠ বিকেলের গল্প৷
সেই উদ্যানের রূপ ছিল ভিন্নতর৷
না পার্ক না ফুলের বাগান, — এসবের কিছুই ছিল না,
শুধু একখন্ড অখন্ড আকাশ যেরকম, সেরকম দিগন্ত প্লাবিত
ধু ধু মাঠ ছিল দূর্বাদলে ঢাকা, সবুজে সবুজময়৷
আমাদের স্বাধীনতা প্রিয় প্রাণের সবুজ এসে মিশেছিল
এই ধু ধু মাঠের সবুজে৷

কপালে কব্জিতে লালসালু বেঁধে
এই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,
লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষক,
পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে এসেছিল প্রদীপ্ত যুবক৷
হাতের মুঠোয় মৃত্যু, চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,
নিম্ন মধ্যবিত্ত, করুণ কেরানী, নারী, বৃদ্ধ, বেশ্যা, ভবঘুরে
আর তোমাদের মত শিশু পাতা-কুড়ানীরা দল বেঁধে৷
একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল
প্রতীক্ষা মানুষের: “কখন আসবে কবি?’ “কখন আসবে কবি?’

শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে,
রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে
অত:পর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন৷
তখন পলকে দারুণ ঝলকে তরীতে উঠিল জল,
হদৃয়ে লাগিল দোলা, জনসমুদ্রে জাগিল জোয়ার
সকল দুয়ার খোলা৷ কে রোধে তাঁহার বজ্রকন্ঠ বাণী?
গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি:
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম৷’
সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের৷

স্বাধীনতা তুমি

স্বাধীনতা তুমি,
বিশ্বমানবতার মুক্তি সনদ,
অনাবিল আনন্দ।
স্বাধীনতা তুমি,
মহামূল্য ধন,
জীবনের চেয়েও শ্রেয়।

স্বাধীনতা তুমি,
কবি মাইকেলের বীণা,
রবীন্দ্রের সৃষ্টি,
সুখের উল্লাসের জাতীয় সঙ্গীত।

স্বাধীনতা তুমি,
বিদ্রোহী কবির অগ্নিবীণা,
মানবতার গান।
স্বাধীনতা তুমি,
পল্লী কবি সম্রাটের পল্লীর প্রাণ।

স্বাধীনতা তুমি,
জন-দরদী কিশোরের আশা।
স্বাধীনতা তুমি,
নেতাজীর তেজেয় অমিয় বাণী।

স্বাধীনতা তুমি,
কবি জীবনানন্দের রূপসী বাংলার প্রকৃতি,
মায়ের ভাষা।

স্বাধীনতা তুমি,
টিপু সুলতান, নবাব সিরাজ-উদ্দৌলার,
তিতুমীরের তরবারি।

স্বাধীনতা তুমি,
বাঙালীর ইতিহাস,
অভিরামের দীপান্তরী,
ক্ষুদিরামের ফাঁসির ইতিহাস।

স্বাধীনতা তুমি,
প্রীতিলতা সূর্য সেনের ব্রিটিশ রক্তে
রাঙানো শাড়ি।

স্বাধীনতা তুমি,
বাংলার মুক্তিযুদ্ধ,
নব্বই লক্ষ শহীদের রক্তে
স্নাত স্বাধীন দেশ।

স্বাধীনতা তুমি,
আমাদের অহংকার,
আমাদের গর্ব।

স্বাধীনতা তুমি,
চিরকাল আমাদের হৃদয়ে জীবিত থাকো।

স্বাধীনতা আমার

স্বাধীনতা আমার, পরশমণি
স্বাধীনতা আমার, মুক্তির বাণী,
স্বাধীনতা আমার, প্রিয়ার মতো জীবন্ত
ভালবাসা

স্বাধীনতা আমার, মায়ের স্নেহ,
নির্মল মমতা।
স্বাধীনতা আমার,জন্মগত অধিকার
স্বাধীনতা আমার,বিজয়ের
গান,হৃদয়ে কমলতা,

স্বাধীনতা আমার কৃষকের
মুখে হাসি ,ফসলে ভরা মাঠ
স্বাধীনতা আমার, শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা, সুশৃঙ্খল সব কলকারখানা।
স্বাধীনতা আমার, বিজয়ী ৭১
স্বাধীনতা আমার, ২১শে মিছিল,
স্বাধীনতা আমার, মুক্তি-পাগল
মুক্তিযুদ্ধা

স্বাধীনতা আমার, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা।
স্বাধীনতা আমার, খোলা আকাশ আর
দুরন্ত সাগর
স্বাধীনতা আমার, সবুজ-শ্যামল বাংলা,
স্বাধীনতা আমার, বহমান নদ-নদী, শির
উচুকরে দাড়ান পাহাড়, স্বাধীনতা আমার,
বাংলায় কথা বলার
অহংকার।

স্বাধীনতা আমার, রাতের
আকাশে পূর্নিমার চাঁদ
স্বাধীনতা আমার, আমাবস্যার
রাতে নিশ্চিন্তে পথ চলার সাহস,
স্বাধীনতা আমার, লাল-সবুজ পতাকায়
ঐক্যের ডাক
স্বাধীনতা আমার, ভেদাভেদ ভুলে নতুন
জীবনের স্বাদ।

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা
– শামসুর রাহমান

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
সকিনা বিবির কপাল ভাঙলো,
সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।
তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,
শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো
দানবের মত চিৎকার করতে করতে,
তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,
ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হল। রিকয়েললেস রাইফেল
আর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।
তুমি আসবে বলে ছাই হল গ্রামের পর গ্রাম।
তুমি আসবে বলে বিধ্বস্ত পাড়ায় প্রভুর বাস্তুভিটার
ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে একটানা আর্তনাদ করল একটা কুকুর।
তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা
অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের উপর।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে এক থুত্থুরে বুড়ো
উদাস দাওয়ায় বসে আছেন-তাঁর চোখের নিচে অপরাহ্নের
দুর্বল আলোর ঝিলিক, বাতাসে নড়ছে চুল।
স্বাধীনতা, তোমার জন্যে
মোল্লাবাড়ির এক বিধবা দাঁড়িয়ে আছে
নড়বড়ে খুঁটি ধরে দগ্ধ ঘরের।

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে
হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে
বসে আছে পথের ধারে।
তোমার জন্যে,
সগীর আলী, শাহাবাজপুরের সেই জোয়ান কৃষক,
কেষ্ট দাস, জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোকটা,
মতলব মিয়া, মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি,
গাজী গাজী বলে যে নৌকো চালায় উদ্দাম ঝড়ে,
রুস্তম শেখ, ঢাকার রিক্‌শাওয়ালা, যার ফুসফুস
এখন পোকার দখলে
আর রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো
সেই তেজী তরুণ যার পদভারে
একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে-
সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে তোমার জন্যে, হে স্বাধীনতা।

পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত জ্বলন্ত
ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে,
নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্ধিদিক
এই বাংলায়
তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা।

স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি ছোটদের

ছোটদের জন্য ছোট ছোট কবিতা সংগ্রহ করা উচিৎ। কেননা ছোট কবিতা গুলো সহজ ভাষায় লেখা থাকে । এরফলে যেকোনো ছোট বাচ্চা ঐ কবিতা খুব সহজে বুঝতে পারে এবং শিখতে পারে। উপরের দেওয়া কবিতা গুলোও ছটটা আবৃতি করতে পারবে। এছাড়া  আলাদা করে স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি ছোটদের জন্য সুন্দর কবিতা শেয়ার করা হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবস, তুমি
– মুহম্মদ কবীর সরকার

স্বাধীনতা দিবস,তুমিই স্বাধীন
আজ কেহ নেই তোমার অধীন।
বদলে গেছে ৭১আর আজকের দিন।
যে যার রাজত্বের রাণী
স্বাধীনতা দিবস তুমি
চৌয়াল্লিশ বছর পূর্বে তোমাকে
এনেছিলাম বুকের রক্ত দিয়ে লিখে।
জায়গা দিয়েছিলাম এই বুকে।
শত প্রাণ শত আঘাত ভুলে,
তোমার ঘরেও যে পরাধীনতা
মারামারি প্রাণ হীন নাশকতা
ওগো মোর প্রিয় স্বাধীনতা।
তবে তুমি কেন আসলে?
স্বাধীনতা দিবস তুমি
তোমার লগনে ও কাঁপছে ভূমি
তুমি যে এসেছ ভুলে যায় আমি।

স্বাধীনতা
– তাপস ঠাকুর

আমাকে কবি বলো না,

আমি কবিতা লিখিনি,

কবিতা পড়িনি,

শুধু কবিতাকে ঝড়ে পরতে দেখেছি,

শুকনো পাতার মত পুড়ে মরে যেতে দেখেছি ।

ঐ কবিতাকে দেখেছি শ্বশানের পথে-ক্ষুধার্ত।

যেন দুরবিক্ষে তলিয়ে গেছে তার ভিটে-মাটি।

সেই কবিতাকে আমি,

বুকে আগলে রাখতে পারিনি,

অবজ্ঞা-অবহেলা আর অনাদরে সে এখন অন্ধ।

সেই কবিতা আমি বুঝিনি,জানিনি কোনদিন,

শুধু তার চোখে বার্তা পেয়েছি নতুন দিনের-নতুন আলোর ।

হ্যা, আমি সেই বার্তা বাহক ।

কালের খেয়ায় আবার এসেছি

এই অর্ধমৃত পৃথিবীতে ।

ঐ পায়ে ফেসা ফুল ,

ডাস্টবিনের পাশে পরে থাকা

অসহায় নবজাতকের চোখ,

যেন হয় ধুসর অন্ধকার পৃথিবীর -ছোট ছোটআলোকময় দ্বীপ ।

অথবা এই অসভ্য পৃথিবীর বাগিচা।

অথচ, তারা পরে আছে পথে-ধুলোয়,

তাদের ভবিষ্যৎকারো মুঠোয় বন্দী।

আমি কী লিখব তার প্রতি-উত্তর ?

ঐ বঞ্চিত চোখ, ঐ পায়ে ফেসা ফুলগুলি

কেবলই একটি কবিতা খুঁজে প্রতিদিন-প্রতিমুহূর্তে,

যেন কবিতা এই অন্ধকার পৃথিবীতে মৃত,

যেন কোন এক বিশেষ শ্রেণীর আলোক উজ্জ্বলরঙমহলে,

অথবা বাজার অর্থনীতির লোভী চক্ষুতেবন্দী এই কবিতা ।

যদি আমার একক পৃথিবী

ভেসে যায় কোনদিন জনতার জোয়ারে ,

তবে শহরের আনাচে কানাচে

প্রতিটি রাস্তায় প্রতিটি প্রানে,

বিশাল অক্ষরে ।

তোমাদের প্রিয় কবিতাটি

আমি লিখে দিয়ে যাব !!

যার নাম- স্বাধীনতা ।

রবীন্দ্রনাথের বাঁশি

__নির্মলেন্দু গুণ

যারা গান গাইতো বাঁশিতে আঙুল রেখে,

যারা কবিতা লিখতো মধ্যরাতে, সেইসব চাষী,

সেইসব কারখানার শ্রমিক, যারা ইস্পাতের

আসল নির্মাতা, যারা তৈরি করতো স্নো-বিস্কিট,

আমার জন্য শার্ট, নীলিমার জন্য শাড়ি, তারা এখন

অন্য মানুষ, তাদের বাড়ি এখন প্রতিরোধের দুর্গ।

যারা গান গাইতো বাঁশিতে আঙুল রেখে,

যারা ছাত্র ছিল পাঠশালার, বিশ্বের, সভ্যতার

কিংবা প্রকৃতির, সেইসব ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক

একত্রে মিলিত হয়ে ওরা এখন অন্যরকম;

ওরা এখন গান গায় না, ওরা এখন অন্য মানুষ।

কাঠের লাঙল যারা চেপে রাখতো মাটির ঔরসে,

সেইসব শিল্পী, সেইসব শ্রমিক,

যারা গান গাইতো বাঁশিতে আঙুল রেখে,

যারা স্বপ্ন দেখতো রাতে; ধলেশ্বরী নদী-তীরে

পিসীদের গ্রাম থেকে ওরা এখন শহরে আসছে।

কাঠের লাঙল ফেলে লোহার অস্ত্র নিয়েছে হাতে,

কপালে বেঁধেছে লালসালুর আকাশ,

শহর জয়ের উল্লাসে ওরা রবীন্দ্রনাথকে বলছে

স্বাধীনতা, রবীন্দ্রনাথের গানকে বলছে স্টেনগান।

যারা গান গাইতো, বাঁশিতে আঙুল রেখে

যারা কবিতা লিখতো রাতে, সেইসব চাষী

আজ যুদ্ধের অভিজ্ঞ-কৃষক।

তোমার জন্য বন্দুকের নল আজ আমারো হাতের বাঁশি।

শেষ কথা

কবিতা আবৃতি করার পূর্বে কবিতা সুন্দর ভাবে মুখস্থ করে নিবেন। প্রয়োজনে ঐ কবিতার একটি ভিডিও আবৃতি দেখবেন। কবিতা আবৃতিতে কবিতা টি স্পট ভাষায় বলতে হবে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি কবিতা সংগ্রহ করবেন। অবশ্যই কবিতাটিতে স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে উল্লেখ থাকতে হবে। আশা করছি স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি সংগ্রহ করেছেন।

আরও দেখুনঃ

স্বাধীনতা দিবসের কবিতা ২০২৪